অধ্যায় ৪ প্রজনন স্বাস্থ্য

অনুশীলনী

১। সমাজে প্রজনন স্বাস্থ্যের গুরুত্ব কী বলে তুমি মনে কর?

Show Answer

উত্তর

প্রজনন স্বাস্থ্য হলো প্রজননের সকল দিক সম্পর্কিত সামগ্রিক কল্যাণ। এতে শারীরিক, মানসিক, আচরণগত ও সামাজিক কল্যাণ অন্তর্ভুক্ত। যৌনবাহিত রোগ যেমন এইডস, গনোরিয়া ইত্যাদি যৌন সংস্পর্শের মাধ্যমে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে সংক্রমিত হয়। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণেরও কারণ হতে পারে। তাই, বিশেষ করে যুবসমাজের মধ্যে প্রজনন সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন, কারণ তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ এবং তারাই যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকে। উপলব্ধ জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যৌনবাহিত রোগ ও তাদের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং লিঙ্গ সমতা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা একটি সামাজিক সচেতনতাসম্পন্ন সুস্থ পরিবার গঠনে সহায়তা করবে। তরুণদের মধ্যে অনিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সামাজিক কুপ্রথা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া একটি প্রজননগতভাবে সুস্থ সমাজ গঠনে সাহায্য করবে।

২। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রজনন স্বাস্থ্যের কোন কোন দিকের উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন বলে তুমি মনে কর?

Show Answer

উত্তর

প্রজনন স্বাস্থ্য হলো প্রজননের সকল দিক সম্পর্কিত সামগ্রিক কল্যাণ। বর্তমান পরিস্থিতিতে যেসব দিকের উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন সেগুলো হলো:

(১) মানুষকে, বিশেষ করে যুবসমাজকে, প্রজনন স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক যেমন যৌনবাহিত রোগ, উপলব্ধ গর্ভনিরোধক পদ্ধতি, গর্ভবতী মায়েদের যত্ন, কৈশোর ইত্যাদি সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া ও সচেতনতা তৈরি করা।

(২) একটি প্রজননগতভাবে সুস্থ সমাজ গঠনের জন্য গর্ভাবস্থায়, যৌনবাহিত রোগে, গর্ভপাত, গর্ভনিরোধক, বন্ধ্যাত্ব ইত্যাদি ক্ষেত্রে মানুষকে চিকিৎসা সহায়তার মতো সহযোগিতা ও সুবিধা প্রদান করা।

৩। স্কুলে যৌন শিক্ষা প্রয়োজনীয় কি? কেন?

Show Answer

উত্তর

হ্যাঁ, স্কুলে যৌন শিক্ষার প্রবর্তন প্রয়োজন। এটি সঠিক সময়ে তরুণদের প্রজনন স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক যেমন প্রজনন অঙ্গ, বয়ঃসন্ধি ও কৈশোরকালীন পরিবর্তন, নিরাপদ যৌনাচার, যৌনবাহিত রোগ ইত্যাদি সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান করবে।

তরুণ বা কিশোর-কিশোরীরা বিভিন্ন যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তাই, সঠিক সময়ে তাদেরকে তথ্য প্রদান তাদের একটি প্রজননগতভাবে সুস্থ জীবনযাপনে সহায়তা করবে এবং যৌন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কার থেকে তাদের রক্ষা করবে।

৪। তুমি কি মনে কর গত ৫০ বছরে আমাদের দেশে প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়েছে? যদি হ্যাঁ হয়, তবে এমন কিছু উন্নয়নের ক্ষেত্র উল্লেখ কর।

Show Answer

উত্তর

হ্যাঁ, গত ৫০ বছরে ভারতের প্রজনন স্বাস্থ্যের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। উন্নয়নের ক্ষেত্রগুলো নিম্নরূপ:

(১) ব্যাপক শিশু টিকাদান কর্মসূচি, যার ফলে শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে। (২) মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার, যা উন্নত প্রসবোত্তর যত্নের কারণে ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। (৩) পরিবার পরিকল্পনা, যা মানুষকে ছোট পরিবার গঠনে উৎসাহিত করেছে। (৪) গর্ভনিরোধকের ব্যবহার, যার ফলে যৌনবাহিত রোগ ও অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের হার হ্রাস পেয়েছে।

৫। জনসংখ্যা বিস্ফোরণের জন্য কী কী কারণ প্রস্তাবিত?

Show Answer

উত্তর

মানুষের জনসংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে জনসংখ্যা বিস্ফোরণ ঘটছে। এটি নিম্নলিখিত দুটি প্রধান কারণে ঘটছে:

(ক) মৃত্যুহার হ্রাস (খ) জন্মহার ও গড় আয়ু বৃদ্ধি

গত ৫০ বছরে মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে। মৃত্যুহার হ্রাস ও জন্মহার বৃদ্ধির কারণগুলো হলো রোগ নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষার সচেতনতা ও বিস্তার, চিকিৎসা সুবিধার উন্নতি, জরুরি পরিস্থিতিতে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি। এই সবকিছু একজন ব্যক্তির গড় আয়ু বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রেখেছে।

৬। গর্ভনিরোধকের ব্যবহার কি ন্যায়সঙ্গত? কারণ দর্শাও।

Show Answer

উত্তর

হ্যাঁ, গর্ভনিরোধকের ব্যবহার একেবারেই ন্যায়সঙ্গত। মানুষের জনসংখ্যা অত্যন্ত দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই, প্রজনন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ বর্তমান সময়ে একটি প্রয়োজনীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ কমানোর জন্য বিভিন্ন গর্ভনিরোধক যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে, যা বর্ধিত জন্মহার কমাতে এবং ফলে জনসংখ্যা বিস্ফোরণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৭। জননগ্রন্থি অপসারণকে গর্ভনিরোধক বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। কেন?

Show Answer

উত্তর

গর্ভনিরোধক যন্ত্র অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ প্রতিরোধ এবং যৌনবাহিত রোগের বিস্তার রোধ করতে ব্যবহৃত হয়। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ প্রতিরোধের জন্য প্রাকৃতিক, বাধাদানকারী, মুখগ্রাহ্য ও শল্যচিকিৎসা পদ্ধতিসহ অনেক পদ্ধতি রয়েছে। তবে, জননগ্রন্থির সম্পূর্ণ অপসারণ গর্ভনিরোধক বিকল্প হতে পারে না কারণ এটি বন্ধ্যাত্বের সৃষ্টি করবে এবং আনুষঙ্গিক প্রজনন অঙ্গগুলির স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু হরমোনের অনুপস্থিতি ঘটাবে। তাই, কেবল সেইসব গর্ভনিরোধক পদ্ধতিই ব্যবহার করা যেতে পারে যা নিষেকের সম্ভাবনা প্রতিরোধ করে, ব্যক্তিকে চিরতরে বন্ধ্যা করে না।

৮। লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য অ্যামনিওসেন্টেসিস আমাদের দেশে নিষিদ্ধ। এই নিষেধাজ্ঞা কি প্রয়োজনীয়? মন্তব্য কর।

Show Answer

উত্তর

অ্যামনিওসেন্টেসিস একটি প্রাক-প্রসবকালীন রোগনির্ণয় কৌশল যা ক্রোমোজোমের বিন্যাস পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মাতৃগর্ভে বিকাশমান ভ্রূণের লিঙ্গ ও বিপাকীয় ত্রুটি নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। ভ্রূণে বিদ্যমান যেকোনো ধরনের জিনগত ত্রুটি নির্ণয়ের জন্য এই পদ্ধতি তৈরি করা হয়েছিল। তবে, দুর্ভাগ্যবশত, এই কৌশলটি শিশুর জন্মের আগে লিঙ্গ নির্ণয়ের জন্য অপব্যবহার করা হচ্ছে এবং তারপর নারী ভ্রূণ গর্ভপাত করা হয়। এইভাবে, ক্রমবর্ধমান নারী ভ্রূণহত্যা রোধ করতে, শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য অ্যামনিওসেন্টেসিস কৌশলের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।

৯। বন্ধ্যা দম্পতিদের সন্তান লাভে সহায়তা করার কিছু পদ্ধতি প্রস্তাব কর।

Show Answer

উত্তর

বন্ধ্যাত্ব হলো নিরাপদ যৌনমিলন সত্ত্বেও একটি দম্পতির সন্তান উৎপাদনে অক্ষমতা। এটি পুরুষ বা নারী যে কোনো একজনের বা উভয়েরই অস্বাভাবিকতার কারণে হতে পারে। বন্ধ্যা দম্পতিদের সন্তান লাভে সহায়তা করার জন্য ব্যবহৃত কৌশলগুলো নিম্নরূপ:

(ক) টেস্ট টিউব বেবি এতে ইন ভিট্রো নিষেক জড়িত থাকে যেখানে শুক্রাণু নারীর দেহের বাইরে ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়। এভাবে উৎপন্ন জাইগোটকে তারপর একজন স্বাভাবিক নারীর জরায়ু বা ডিম্বনালীতে স্থানান্তরিত করা হয়। এই পদ্ধতিতে উৎপন্ন শিশুদের টেস্ট টিউব বেবি বলা হয়।

(খ) গ্যামেট ইন্ট্রা ফলোপিয়ান ট্রান্সফার (GIFT) এটি একটি কৌশল যাতে একজন দাতার গ্যামেট (ডিম্বাণু) গ্রহীতা নারীর ডিম্বনালীতে স্থানান্তরিত করা হয়, যে নারী ডিম্বাণু উৎপাদনে অক্ষম কিন্তু গর্ভধারণের ক্ষমতা রাখে এবং ভ্রূণের বিকাশের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ দিতে পারে।

(গ) ইন্ট্রা সাইটোপ্লাজমিক স্পার্ম ইনজেকশন (ICSI) এটি পরীক্ষাগারে ভ্রূণ তৈরি করতে সরাসরি শুক্রাণুকে ডিম্বাণুর মধ্যে ইনজেক্ট করার একটি পদ্ধতি।

(ঘ) কৃত্রিম গর্ভাধান কৃত্রিম গর্ভাধান হলো একজন সুস্থ পুরুষ দাতার বীর্য (শুক্রাণু) গ্রহীতা নারীর যোনি বা জরায়ুতে স্থানান্তর করার একটি পদ্ধতি। এটি প্রয়োগ করা হয় যখন পুরুষ সঙ্গী নারীকে গর্ভধারণ করাতে অক্ষম বা তার শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকে।

১০। যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে?

Show Answer

উত্তর

যৌনবাহিত রোগ (STDs) যৌন সংস্পর্শের মাধ্যমে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে সংক্রমিত হয়। কিশোর ও যুবকেরা এই যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকে। তাই, কিশোরদের মধ্যে এর পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা তাদের যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। যৌনমিলনের সময় কনডম ইত্যাদির মতো গর্ভনিরোধক ব্যবহার এই রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। এছাড়াও, অপরিচিত বা একাধিক সঙ্গীর সাথে যৌন সম্পর্ক এড়িয়ে চলা উচিত কারণ তাদের এমন রোগ থাকতে পারে। সন্দেহের ক্ষেত্রে অবিলম্বে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত যাতে রোগের প্রাথমিক সনাক্তকরণ ও নিরাময় নিশ্চিত করা যায়।

১১। সত্য/মিথ্যা উল্লেখ করো এবং ব্যাখ্যা দাও

(ক) স্বতঃস্ফূর্তভাবেও গর্ভপাত ঘটতে পারে। (সত্য/মিথ্যা)

(খ) বন্ধ্যাত্বকে একটি সক্ষম সন্তান উৎপাদনে অক্ষমতা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয় এবং এটি সর্বদা নারী সঙ্গীর অস্বাভাবিকতা/ত্রুটির কারণে হয়। (সত্য/মিথ্যা)

(গ) সম্পূর্ণ স্তন্যপান প্রাকৃতিক গর্ভনিরোধক পদ্ধতি হিসেবে সাহায্য করতে পারে। (সত্য/মিথ্যা)

(ঘ) যৌন সম্পর্কিত দিক সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা মানুষের প্রজনন স্বাস্থ্য উন্নত করার একটি কার্যকর পদ্ধতি। (সত্য/মিথ্যা)

Show Answer

উত্তর

(ক) স্বতঃস্ফূর্তভাবেও গর্ভপাত ঘটতে পারে। সত্য

(খ) বন্ধ্যাত্বকে একটি সক্ষম সন্তান উৎপাদনে অক্ষমতা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয় এবং এটি সর্বদা নারী সঙ্গীর অস্বাভাবিকতা/ত্রুটির কারণে হয়। মিথ্যা বন্ধ্যাত্বকে দম্পতির নিরাপদ যৌনমিলন সত্ত্বেও সন্তান উৎপাদনে অক্ষমতা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এটি পুরুষ বা নারী যে কোনো একজনের বা উভয়েরই অস্বাভাবিকতার কারণে হতে পারে।

(গ) সম্পূর্ণ স্তন্যপান প্রাকৃতিক গর্ভনিরোধক পদ্ধতি হিসেবে সাহায্য করতে পারে। মিথ্যা সম্পূর্ণ স্তন্যপান বা ল্যাক্টেশনাল অ্যামেনোরিয়া একটি প্রাকৃতিক গর্ভনিরোধক পদ্ধতি। তবে, এটি কেবল স্তন্যদানকাল পর্যন্ত সীমাবদ্ধ, যা প্রসবের পর ছয় মাস পর্যন্ত চলতে থাকে।

(ঘ) যৌন সম্পর্কিত দিক সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা মানুষের প্রজনন স্বাস্থ্য উন্নত করার একটি কার্যকর পদ্ধতি। সত্য

১২। নিম্নলিখিত বক্তব্যগুলো সংশোধন করো:

(ক) গর্ভনিরোধকের শল্যচিকিৎসা পদ্ধতি গ্যামেট গঠন প্রতিরোধ করে।

(খ) সকল যৌনবাহিত রোগ সম্পূর্ণরূপে নিরাময়যোগ্য।

(গ) মুখগ্রাহ্য বড়িগুলো গ্রামীণ নারীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় গর্ভনিরোধক।

(ঘ) E. T. কৌশলে, ভ্রূণ সর্বদা জরায়ুতে স্থানান্তরিত করা হয়।

Show Answer

উত্তর

(ক) গর্ভনিরোধকের শল্যচিকিৎসা পদ্ধতি গ্যামেট গঠন প্রতিরোধ করে। সংশোধন গর্ভনিরোধকের শল্যচিকিৎসা পদ্ধতি যৌনমিলনের সময় গ্যামেটের প্রবাহ প্রতিরোধ করে।

(খ) সকল যৌনবাহিত রোগ সম্পূর্ণরূপে নিরাময়যোগ্য। সংশোধন কিছু যৌনবাহিত রোগ প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করা হলে এবং সঠিকভাবে চিকিৎসা করা হলে নিরাময়যোগ্য। এইডস এখনও একটি নিরাময়যোগ্য রোগ।

(গ) মুখগ্রাহ্য বড়িগুলো গ্রামীণ নারীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় গর্ভনিরোধক। সংশোধন মুখগ্রাহ্য বড়িগুলো শহুরে নারীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় গর্ভনিরোধক।

(ঘ) E. T. কৌশলে, ভ্রূণ সর্বদা জরায়ুতে স্থানান্তরিত করা হয়। সংশোধন ভ্রূণ স্থানান্তর কৌশলে, ৮-কোষবিশিষ্ট ভ্রূণ ডিম্বনালীতে স্থানান্তরিত করা হয় যেখানে ৮-এর বেশি কোষবিশিষ্ট ভ্রূণ জরায়ুতে স্থানান্তরিত করা হয়।



sathee Ask SATHEE

Welcome to SATHEE !
Select from 'Menu' to explore our services, or ask SATHEE to get started. Let's embark on this journey of growth together! 🌐📚🚀🎓

I'm relatively new and can sometimes make mistakes.
If you notice any error, such as an incorrect solution, please use the thumbs down icon to aid my learning.
To begin your journey now, click on

Please select your preferred language